মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখার পথে এগিয়ে গেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেন ফরোয়ার্ড মানিক।
২০২৪ সালে এই টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ এবারও শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছে। নেপালকে হারানোর ফলে সেই লক্ষ্যের আরও একধাপ কাছে পৌঁছেছে দলটি। ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে ভারত ও ভুটানের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ফলাফলের ভিত্তিতে।
সেমিফাইনালে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় বাংলাদেশকে। ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটের মধ্যেই গোলের দেখা পায় দলটি। মোর্শেদের দারুণ চিপ থেকে বক্সে উঠে হেড করে বল জালে জড়ান মানিক। এতে গ্যালারিতে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
এরপরই আবারও নেপালের জালে বল পাঠায় বাংলাদেশ। প্রবাসী ফুটবলার রোনান সুলিভান দক্ষতার সঙ্গে বল নিয়ন্ত্রণ করে গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। এ সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ দলের ডাগআউট থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই ড্রেসিংরুমে ফেরে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে এবং প্রথম ২০-৩০ মিনিটে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। কয়েকটি সম্ভাবনাময় আক্রমণ করলেও গোলরক্ষক মাহিন দৃঢ়তায় সেগুলো প্রতিহত করেন। অন্যদিকে বাংলাদেশও পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যায়। ম্যাচে দুই দলই একাধিক পরিবর্তন আনে।
ম্যাচের শেষদিকে কোচ মিশু মাঠে নামান ডেকলানকে, যিনি রোনানের ভাই। ডেকলান বক্সের মধ্যে রোনানকে একটি ভালো পাস দিলেও তার শট নেপালের ডিফেন্ডারে লেগে কর্নারে পরিণত হয়।
ইনজুরি সময়ে দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে, তবে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার এই সাফল্যে মালে স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।
